Breaking News
কিভাবে শিশুর বিকাশ হয়

জানেন কি কিভাবে শিশুর বিকাশ হয়

আপনি জানেন কি আপনার চোখের সামনে বেড়ে উঠা শিশুর বিকাশ কিভাবে হয়। জন্মের পর শিশুর বিকাশ শুরু দেহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। জন্মের পর পরই শিশু চারদিক পর্যবেক্ষণ করে, কাঁদে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে সে চলতে শেখে। ইন্দ্রিয় দিয়ে বস্তুর সাথে সংযােগ স্থাপন করে। স্মৃতির বিস্তার ঘটে মস্তিষ্কে । কৌতূহল জন্মায় বিভিন্ন বিষয়ে। অনুসন্ধিৎসু মন দিয়ে দেখে সবকিছু। কৌতুহলী মনের সৃষ্টি হয় । মনে জাগে অসংখ্য প্রশ্ন। প্রশ্ন দিয়ে শিশু এগিয়ে চলে তার জ্ঞানের রাজ্যে। স্বতঃস্ফূর্তভাবে জেগে উঠা প্রশ্ন থেকে, মনের গভীরে জাগা জিজ্ঞাসা থেকে শিশুর মানসিক বিকাশ ঘটতে থাকে। মনে জাগা প্রশ্ন, জিজ্ঞাসা শিশুকে ভাবতে শেখায়, মনের ভাব প্রকাশ করতে শেখায়।

শিশুর বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ দিক

শিশুর ইচ্ছা অনিচ্ছা প্রকাশই মানসিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। দেড় বছর বয়সে শিশু অনুকরণ ও অনুশীলনের মাধ্যমে নিজস্ব ভাবানুভূতি আকার ইঙ্গিত ও অর্ধস্ফুট ভাষায় প্রকাশ করে। বয়স বৃদ্ধির সাথে স্মৃতি ও কল্পনা বাস্তবের সাথে মেলায়। ভাষা শেখার পর দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যক্ষভাবে প্রকাশ করতে শেখে । তিন থেকে সাড়ে তিন বছর বয়সে কল্পিত বিষয় বা দৃশ্যমান বিষয়কে ছােট ছােট যুক্তি দিয়ে বিচার করতে শেখে ।

শিশুর কথাবলা ও মানসিক বিকাশ

সাধারণত চার বছর বয়স থেকে শিশু গুছিয়ে কথা বলতে পারে । খেলাধুলা, গান, ছবি আঁকা, ছড়া বলা, গল্পশােনা এসব বিষয়ে আকৃষ্ট হয়। এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে শিশুর মানসিক বিকাশ ঘটে, যা শিশুর জীবন গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে পারিবারিক ও বিদ্যালয়ের পরিবেশ শিশুর জন্য অত্যন্ত সহায়ক। শিক্ষার মাধ্যমে শিশুর মনস্তাত্ত্বিক দিক পরিশীলিত হয়। জন্ম থেকেই শিশুদের জীবন বিকাশ এক অবিচ্ছিন্ন ধারায় এগিয়ে চলে। জীবনের প্রতিটি স্তরে শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, আবেগিক ইত্যাদি বিকাশ তাদের নিজস্ব গতিতে বিকশিত হয়। শারীরিক বিকাশের ওপর অন্যান্য বিকাশগুলাে কমবেশি নির্ভরশীল। শিশুদের সুস্থ মানসিক বিকাশের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়ােজন বড়দের ভালােবাসা ও মনােযােগ।

শিশুর মানসিক বিকাশ

শিশুর মানসিক বিকাশ যখনই দানা বাঁধতে শুরু করে, তখন থেকেই সামাজিক স্বীকৃতি আশা করে। পিতামাতা, ভাই-বােন, বাড়ি, আত্মীয়-স্বজন, স্কুল সম্পর্কে নিজস্ব ধারণা ও অধিকারবােধ জন্মায়। এইভাবে নিজ সমাজ, দেশ, পূর্বপুরুষ, উত্তরাধিকার, ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়ে উঠে। সমাজ, পরিবেশ ও সময়কে অনুধাবন করতে শেখে, পছন্দের কাজে অনুপ্রেরণা পায়, এসব শিশুর মানসিক বিকাশের সক্রিয় লক্ষণ।

শিশুর শিক্ষা

৩ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য বিদ্যমান রয়েছে নার্সারী শিক্ষা, মূলত প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার জন্য প্রস্তুতিমূলক শিক্ষাই নার্সারী শিক্ষার মূল লক্ষ্য নার্সারী শিক্ষার বৈশিষ্ট্য হলাে খেলাধুলা ও বিনােদনের মাধ্যমে শিশুদের শারীরিক, মানসিক, আবেগিক ও সামাজিক বিকাশ ঘটানাে। শিশুরা কোমলমতি, ভীমক, অনুভূতি প্রবণ। অনুভূতির মাধ্যমেই তাদের অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়। নার্সারী-শিক্ষা শিশুকে প্রাথমিক স্তনে প্রবেশের প্রয়ােজনীয় যােগ্যতা অর্জনে সহায়তা করে। এছাড়া পারিবারিক পরিবেশ পরিমল থেকে সকল পরিমণ্ডলে উত্তরণেও শিশুকে সহায়তা করে।

আরও পড়ুন: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

শিশুর বিকাশ সম্পর্কিত আপনার প্রশ্ন ও উত্তর

শিশুর বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো কি কি?

শিশুর বিকাশ

শিশুর ইচ্ছাঅনিচ্ছা প্রকাশই মানসিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। দেড় বছর বয়সে শিশু অনুকরণ ও অনুশীলনের মাধ্যমে নিজস্ব ভাবানুভূতি আকার ইঙ্গিত ও অর্ধস্ফুট ভাষায় প্রকাশ করে। বয়স বৃদ্ধির সাথে স্মৃতি ও কল্পনা বাস্তবের সাথে মেলায়। ভাষা শেখার পর দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যক্ষভাবে প্রকাশ করতে শেখে । তিন থেকে সাড়ে তিন বছর বয়সে কল্পিত বিষয় বা দৃশ্যমান বিষয়কে ছােট ছােট যুক্তি দিয়ে বিচার করতে শেখে ।

কত বছর বয়সে শিশু কথা বলতে পারে?

সাধারণত চার বছর বয়স থেকে শিশু গুছিয়ে কথা বলতে পারে । খেলাধুলা, গান, ছবি আঁকা, ছড়া বলা, গল্পশােনা এসব বিষয়ে আকৃষ্ট হয়।

শিশুর মানসিক বিকাশের সক্রিয় লক্ষণগুলো কি কি?

শিশুর মানসিক বিকাশ যখনই দানা বাঁধতে শুরু করে, তখন থেকেই সামাজিক স্বীকৃতি আশা করে। পিতামাতা, ভাই-বােন, বাড়ি, আত্মীয়-স্বজন, স্কুল সম্পর্কে নিজস্ব ধারণা ও অধিকারবােধ জন্মায়। এইভাবে নিজ সমাজ, দেশ, পূর্বপুরুষ, উত্তরাধিকার, ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়ে উঠে। সমাজ, পরিবেশ ও সময়কে অনুধাবন করতে শেখে, পছন্দের কাজে অনুপ্রেরণা পায়।

নার্সারী শিক্ষার বৈশিষ্ট্য কি?

নার্সারী শিক্ষার বৈশিষ্ট্য হলাে খেলাধুলা ও বিনােদনের মাধ্যমে শিশুদের শারীরিক, মানসিক, আবেগিক ও সামাজিক বিকাশ ঘটানাে।

আমরা সবসময় শুনে ও বলে থাকি যে, আজকের শিশু আগামীদিনের ভবিষ্যত। তাই মুখে নয় আপনার দায়িত্ববোধ একটি শিশুর আদর্শ বিকাশ সাধন করতে পারে। এই পোস্টটি ভালো অবশ্যই শেয়ার করে আপনার প্রিয়জনকে দেখার সুযোগ করে দিন।

About Primary preparation

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *